wall graffiti গ্রাফিতি আর্ট বাংলাদেশ রিকসা পেইন্ট riksha paint x fxyz x bfa web

শহরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পিলার গুলোতে নান্দনিক গ্রাফিতি

স্বাধীনতার মাস মার্চের মধ্যে পুরো মহাখালী ফ্লাইওভারের গ্রাফিতি সম্পন্ন করা হবে। শহরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতেই এই উদ্যোগ।

দূষণে শীর্ষে কিংবা বাসযোগ্যহীনতায় পরিচিত প্রানের ঢাকা শহর তুলির আচঁড়ে বদলে যাচ্ছে। রঙিন হচ্ছে প্রানের ঢাকা। পোস্টার-ব্যানারের দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে এবং শহরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পিলার গুলোতে নান্দনিক গ্রাফিতি। শিল্পীর হাতের নান্দনিকতার ছোঁয়া লেগেছিল প্রথমে রাজধানীর মগবাজার উড়ালসেতুতে। চিত্রকর্মে প্রাধান্য পেয়েছে বাংলার নিজস্ব মৌলিক ধারার চিত্রকলা এবং যৌক্তিক ও প্রাসঙ্গিক কিছু চাওয়া।

যেমন: ‘হর্ন না বাজাই’, ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’, ‘পোস্টার লাগাবেন না’ তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিন, আসুন দেশকে ভালোবাসি।’

অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্টার লাগানো ও বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংবলিত লেখা বন্ধ করতে রাজধানীর ফ্লাইওভারের খুটিগুলোতে চিত্রকর্ম আঁকার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। প্রথমে মগবাজার ফ্লাইওভারে এ কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ফ্লাইওভার ও মেট্রো রেলের খুটিতেও চিত্রকর্ম করা হবে বলে জানিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

এর ধারাবাহিকতায় ঢাকার মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচের অংশে দৃষ্টিনন্দন চিত্রকর্ম বা গ্রাফিতি আঁকা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের সহযোগিতায় বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ২০২৩ -এ মহাখালী ফ্লাইওভারে নান্দনিক গ্রাফিতি শুরু হয়েছে। স্বাধীনতার মাস মার্চের মধ্যে পুরো মহাখালী ফ্লাইওভারের গ্রাফিতি সম্পন্ন করা হবে। শহরকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতেই এই উদ্যোগ।

রাজধানীর ফ্লাইওভারের পিলারে শোভা পাচ্ছে এমনই নান্দনিক গ্রাফিতি

wall graffiti গ্রাফিতি আর্ট বাংলাদেশ রিকসা পেইন্ট riksha paint x fxyz x bfa web

আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা


ছবি: রাজন আহমেদ

পোস্টারের জঞ্জাল সরিয়ে সেখানে শোভা পাচ্ছে বর্ণীল গ্রাফিতি। কিছুটা রিকসা আর্ট আদলে। এসব নান্দনিক গ্রাফিতি শহরের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে কয়েকগুন।
Author Name

গ্রাফিতি কি

what is Graffiti

সহজ ভাষায় গ্রাফিতি বলতে দেয়ালে আঁকা ছবিকে বোঝায়। সেটা অনেকটা সাধারণ চিত্রকর্ম থেকে সাধারন মানুষের ভিতর প্রতিবাদের বোধ জাগ্রত করা। সারা বিশ্বে গ্রাফিতি মূলত প্রতিবাদের নিরব ভাষা হিসেবে পরিচিত।

মুক্ত বিশ্বকোষ, উইকিপিডিয়া দেয়া তথ্য অনুযায়ী,

গ্রাফিতি হল বিনা অনুমতিতে জনসাধারণের অভিমতে শৈল্পীয় উপায়ে দেয়ালের উপরে লেখনী কিংবা অঙ্কনের মাধ্যমে তুলে ধরা।

গ্রাফিতি কি শুধুই প্রতিবাদের ভাষা? শুরুর দিকে এমনটাই ছিলো। দেয়ালচিত্রের মাধ্যমে দেশের সামাজিক অবিচার, সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা যুদ্ধের বিরুদ্ধে বার্তা সর্বসাধারনের কাছে পৌঁছে দেবার মাধ্যম ছিলো গ্রাফিতি। মানব সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে গ্রাফিতিও বিকশিত হয়েছে, পেয়েছে শৈল্পিক মাত্রা।

প্রাচীন গুহাচিত্র থেকে শুরু করে বাংলাদেশের দেয়ালে দেয়ালে আঁকা ‘সুবোধ সিরিজ ’ এবং বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানের অবস্থান ফ্লাইওভারের নিচের অংশে কিংবা পিলারগুলোর দৃষ্টিনন্দন চিত্রকর্ম গ্রাফিতির আধুনিক রুপ।

গ্রাফিতি হচ্ছে দেয়ালে বা যেকোনো পাবলিক সারফেসে আঁকা কোন চিত্র বা সাধারন কোনো বক্তব্য , কিন্তু পেছনের বোধটা থাকবে খুব গভীর। সহজ ভাষায় এটাই গ্রাফিতি।

বাংলাদেশের দেয়ালে দেয়ালে আঁকা ‘সুবোধ সিরিজ’

‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, এখন সময় পক্ষে না।’

‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, মানুষ ভালোবাসতে ভুলে গেছে।’

‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, তোর ভাগ্যে কিছু নেই’।

সুবোধ এখন জেলে, পাপবোধ নিশ্চিন্তে বাস করছে মানুষের মনে’

‘সুবোধ তুই ঘুরে দাঁড়া’


আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

About Post Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা

X (Twitter)
Post on X
Pinterest
fb-share-icon
Instagram
FbMessenger
Open chat
1
Scan the code
Hello
How can i help you?
Skip to content