শিল্পী

শিল্পী তাসাদ্দুক হোসেন দুলু | Tasadduk Hossain Dulu

ক্যানভাসে মূল বিষয় মানুষ ও তার পারিপার্শ্বিক। মানুষের জীবনের সাধারণ ও সাদামাটা ঘটনা নির্বাচন করেই তিনি ছবির পটভূমি তৈরি করেন। বর্তমানে তার ছবির বিষয়বস্তু সংবাদপত্র। সংবাদপত্রের দৃশ্যগত, কাঠামোগত ও যোগাযোগের উপাদানগুলিই তিনি ক্যানভাসে তুলে আনছেন নিজস্বতা দিয়ে।

শিল্পী জহির উদ্দিন | ARTIST ZAHIR UDDIN

১৯৯৭-৯৮ সালে জহির উদ্দিনের সঙ্গে অনেক দেখা হয় শিল্পাঙ্গনে। কিন্তু পরিচয় হয়ে ওঠেনি। ১৯৯৯ সালে শিল্পী রুহুল আমিন কাজল জার্মান কালচারাল সেন্টারের ছাদ আড্ডায় পরিচয় করিয়ে দেন জহির উদ্দিনের সঙ্গে। সেখানেই তিনি আমাকে প্যাস্টেলে একটি ফুলের ড্রইং করে দেন।

পোস্টারে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ

১৯৭১ সালে ভারতের কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের দফতর থেকে বহু পোস্টার ও লিফলেট প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছিল। কলকাতায় পাড়ি জমানো শিল্পীরা এই কাজের পুরোভাগে ছিলেন। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রচার বিভাগ প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন বরেণ্য শিল্পী কামরুল হাসান। সঙ্গে ছিলেন শিল্পী দেবদাস চক্রবর্তী, নিতুন কুন্ড, জহির আহমদ প্রমুখ।

শিল্পী সমীরণ চৌধুরী | SAMIRAN CHOWDHURY

ফিগারেটিভ, বিমূর্ত উভয় ধারায়ই কাজ করেছেন তিনি। ফিগারেটিভ কাজেই তাঁর পরিচিতি বেশি। রঙের টেকনিক আর ফিগারের অভিব্যক্তি তাঁর ক্যানভাসের সামনে দাড়াতে বাধ্য করে।

মৃৎশিল্পী মোঃ আনিসুল হক | Anisul Haque

আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ- মানব সেবা। আমরা কোন ধর্মে বিশ্বাস করি বা কোন জাতি বা দেশ থেকে এসেছি তাতে কিছু যায় আসে না, আমাদের একটাই পরিচয়, আমরা মানুষ। সমাজ আমাদের জন্য আমরা সমাজের জন্য নয়, আমাদের সবার একসাথে এগিয়ে যাওয়া উচিত। প্রত্যেকের উচিত শান্তির জন্য রুঁখে দাড়ানো।

শিল্পী দিলারা বেগম জলি

একজন সমাজ সচেতন শিল্পী । তাঁর কজে তুলে এনেছেন সমাজের অসঙ্গতিগুলো। সেটা দেশ ছাড়িয়ে যুক্ত হয়েছে সারা বিশ্বের ঘটনাবলী। সেসব ঘটনা তিনি ক্যানভাসে তুলে এনেছেন নিজস্ব রঙ ও রেখায়।

শিল্পী নিসার হোসেন | NISAR HOSSAIN

ক্যানভাসে তাঁর বিষয় একাত্তরে সেই বর্বর হানাদার ও তাদের সহায়তাকারী জানোয়ারের মুখ। যারা পশুর মত হয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে বাঙালিদেরকে। এর বাইরেও তিনি আমাদের লোকশিল্প নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন। বিশেষ করে গাজীর পট ও সরাচিত্র নিয়ে তাঁর অনেকগুলো প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস

প্রকৃতির নানা রূপ বিমূর্ত রূপে তাঁর ক্যানভাসে এসেছে। তিনি নিজস্ব শিল্পশৈলির মাধ্যমে একজন ইউনুসকে আলাদা ভাবে পরিচিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তার বিমূর্ত কাজে কখনও ফুল, লতা-পাতা, ক্যাকটাসের উপস্থিতি দেখা যায়।

শিল্পী মনিরুজ্জামান

সেই নব্বইয়ের উত্তাল সময়ে তারা পার করে বেড়িয়েছেন। ১৯৯০ সালে যোগ দেন গ্যালারি শিল্পাঙ্গনে। সেখানে ১০ বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০০০ সালে নিজেই গড়েন চিত্রক। মাঝখানে দুই বছর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’র চারুকলা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিল্পী জামাল আহমেদ

জামাল আহমেদ মানুষের ছবি আঁকেন, আঁকেন নগর প্রকৃতি। কখনও নর-নারী, কখনও বাংলার বাউল-ফকির। নারীর রূপ-রহস্য তাঁর ক্যানভাসে উঠে এসেছে অসাধারণ হয়ে। তিনি শান্তির পায়রারও দুলভ মুহুর্তগুলো ধরতে পেরেছেন।

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা

X (Twitter)
Post on X
Pinterest
fb-share-icon
Instagram
FbMessenger
Open chat
1
Scan the code
Hello
How can i help you?
Skip to content