কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ

কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ

Spread the love
  • 2
    Shares

আজ ১৬ই অক্টোবর। বাংলাদেশের এক নন্দিত কবিকে স্মরন করার দিন। ১৬ই অক্টোবর কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ -র জন্মদিন।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা

রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল না। তবে তাঁর কবিতার ভক্ত আমি চিরদিন। রবীন্দ্রনাথ ভিন্ন আমার লেখালেখিতে যে দু’জন কবির কবিতার পংক্তিমালা আমি সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করেছি, তাঁর একজন বন্ধুবর কবি হেলাল হাফিজ, অন্যজন প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তাঁর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ এখনও মাঝে মধ্যেই আওড়াই।

মনে আছে, নব্বুইয়ের দশকে কোন একবার বার্লিনে গেলে কবি দাউদ হায়দার আর আমি পুরো একরাত কাটিয়েছিলাম বার্লিনের পথে পথে হেঁটে এবং গল্প করে। সে রাতে রুদ্রের কত কবিতার চরন যে মুখে মুখে আবৃত্তি করেছিলাম দু’জনে। সে সব কবিতার কিছু কিছু আজকের বাংলাদেশের জন্যে বড় বেশী প্রাসঙ্গিক।

‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে- এদেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?’

কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ প্রয়াত বহুদিন – প্রায় ৩০ বছর। তবু তাঁর কবিতার অঙ্গনে আমার নিত্যদিন ঘোরাফেরা – ‘নয়ন সমুখে’ না থাকলেও হৃদয়ের মাঝখানেই তাঁর ঠাঁই। আজ তাই কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর জন্মদিনে অতল গহীন শুভেচ্ছা।


সূত্র : ফেসবুক

লেখকের ফেসবুক লিংক : ড. সেলিম জাহান


acebook থেকে নেয়া :

মন্তব্য করেন | 

Saifur Rahmanরুদ্র কি যে বিস্ময়কর প্রভাব বিস্তার করেছিলেন নব্বুইয়ের দশকের তরুণদের উপর! অনেকটা হেলাল হাফিজের মতো।

রুদ্র প্রায়শই চলমান স্রোতের বাইরে চলে যেতেন, অভিনবত্ব যেন তার চরিত্রের অন্যতম দিক।আমার মনে পড়ে প্রথম জাতীয় কবিতা উৎসবের কথা। ৮৭ সালের স্বৈরাচারবিরোধী উত্তাল সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চবিহীন আয়োজনে আমরা জনা পঞ্চাশেক শ্রোতা-দর্শক।

এরশাদ বিরোধী বিবৃতি দেয়ায় কবি শামসুর রাহমানের নাম বাদ দেয়া হয়েছে দৈনিক বাংলার সম্পাদক পদ থেকে। শামসুর রাহমান আসেনি, তার অসাধারণ ‘নাম’ কবিতাটি আবৃত্তি করলেন রুদ্র। সভাস্থল যেন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেলো তার উচ্চারণের তীব্রতায় – ” বললেন তিনি জলদমগ্ন স্বরে সুদুর কালের কোন এক মহারাজ ক্যানুটের মতো- মুছে ফেলো তার নাম “।

তারপর যখন তার স্বরচিত কবিতা পাঠের পালা এলো তিনি শোনালেন বিস্মৃত হতে বসা পুঁথির সুরে তার কবিতা। আমরা আরেক দফা চমৎকৃত। পুরো আয়োজনটা যেন তার হয়ে গেলো।অনেক শ্রদ্ধা তার স্মৃতির উদ্দেশে।

Rafiqul Islam Sarkerরুদ্র রুদ্রই, কেন যেন অসম‌য়ে চ‌লে যাওয়া। ভাল বু‌ঝি ক্ষণকাল মাত্রই। জন্ম‌দি‌নে শু‌ভেচ্ছা শ্রদ্ধা

Zahid Mustafaরুদ্র দা ছিলেন আমাদের বড় আপনজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্ত্বরে আমাদের আড্ডার মধ্যমণি!

Ashoke Duttaগভীর ভালবাসা ও সমীহ এই অকাল প্রয়াত তেজদীপ্ত শুদ্ধ সত‍্যের মৃত্তিকাশ্রয়ী কবির প্রতি।

Mahfuza A Hassanঠিক বলেছেন সেলিম ভাই – কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ’র কবিতার কিছু কিছু অংশ আজও বড় প্রাসঙ্গিক। ৯০’এর সেসব দিনগুলোতে রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ’র কবিতা খুব আপন ছিল। কবি’র জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

Rezaul Karimরুদ্রভাইকে ঘিরে তরুণ ও উদীয়মান কবি-সাহিত্যিক- শিল্পীদের দিনভর আড্ডার স্মৃতি আজও মনে ভাসে। তাঁর কবিতা আমাদের খুব আলোড়িত ও উদ্দীপ্ত করেছিল। আজও তিনি কত প্রাসঙ্গিক!প্রিয় কবির জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়।

Bahauddin Ahmed Mamunজন্ম দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে শ্রদ্ধাভরে স্মরন করছি ৯০ দশক এর সেই উত্তাল দিনগুলোর কবিকে।

Hemayet Haroonবিনম্র শদ্ধা। কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, হেলান হাফিজ এরা এক একজন বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। এরা এ দেশের ক্ষনজন্মা পুরুষ।সেই সাথে আরও একজনের নাম উচ্চারণের লোভ সামলাতে পারলাম না। তিনি প্রয়াত আহম্মদ ছফা। এদের যথার্থ মূল্যায়ন করা আমার মত একজন নগন্য লোকের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।শুধু এই টুকুই বলতে ইচ্ছা করে—— ফুল চিরদিন নিরবে ঝরে যায়—- প্রতিদান সে কি পায় ——।কিন্তু এই ফুল গুলো তো শুধু নিরবে নয়, অকালেই ঝরে গেল———-।

Syed Mohammed Tarekগুড্ডি বানাইয়া রাখিলে উড়াই –কি সুন্দর চিন্তা। অনিন্দ্য সুন্দর চিন্তা ও বাস্তব জীবনের আলোকে লিখিত তাঁর অমর সৃষ্টির প্রতি রইল বিনম্র। শুভ জন্ম দিন।


Spread the love
  • 2
    Shares

Leave a Reply

%d bloggers like this: