দেশী পণ্যের প্রতি আকর্ষণ যেমন বেড়েছে, তেমনি কিছুটা হলেও আছে আমদানিকৃত পোশাক কেনার তাগিদ। সুতি শাড়িতে ‘দেশী পণ্য কিনে হোন ধন্য’ মনোভাব যেমন আছে, তেমনি আবার সিল্কের শাড়ির ক্ষেত্রে অধিকাংশই হচ্ছে ভারত থেকে আনা। তাই আমাদের নিজস্ব রাজশাহী সিল্ক এক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে আছে মাইসোর সিল্কের কাছে।
নকশার ক্ষেত্রে ইক্কত বা জ্যামিতিক প্যাটার্ন, এমব্রয়ডারি, প্যাচওয়ার্ক, হ্যান্ড স্টিচ, ফ্লোরাল প্রিন্ট এবং ব্লকের কাজকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। পোশাকের ফেব্রিকে এগিয়ে থাকছে সুতি কাপড় ও হাফসিল্ক। খাটো নয়, বরং উৎসবের দিনকাল এলেই যেন লম্বা ঝুলের কামিজের চলন বেড়ে যায়। এবারেও তাই ঘটেছে। কামিজের গলা এবং হাতের ডিজাইন নিয়ে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সেইসাথে শহুরে নারীদের জন্য কো-অর্ড, অর্থাৎ একই প্রিন্টের সালওয়ার-কামিজের প্রচলন বেড়েছে।
সালওয়ার-কামিজের ক্ষেত্রে ফেব্রিক হিসেবে প্রাধান্য পাচ্ছে সিল্ক এবং এগিয়ে থাকছে বেনারসির মোটিফ, সোনালি-রূপালি জরির পাড় ও ফ্লোরাল প্রিন্ট। পোশাকে অনেক বেশি কনট্রাস্ট না এনে একটা ইউনিফর্মিটি ধরে রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এমনকি মা-বাবা-সন্তান একই ধরনের পোশাক পরে পরিবারসমেত একই সাজে সাজা, কিংবা প্রিয় বন্ধু-বান্ধবেরা কিনছেন একই ডিজাইনের টি-শার্ট। এমন প্যাকেজ কালেকশন থাকছে লা রিভের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর ঈদ কালেকশনে। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, নারীদের চেয়ে পুরুষদের সাজে মিনিমালিজম বরাবরের মতোই বেশি স্থান পেয়েছে।