Mirpur Benarasi sharee BFA feature

the traditional wedding saree of Bangladesh

বেনারসি শাড়ি | Mirpur Benarasi Saree

মিরপুর বেনারসি শাড়ি

বেনারসি শাড়ি কিভাবে তৈরী হয়?

Banarasi Saree Weaving Process

মিরপুর বেনারসি শাড়ির বিভিন্ন নাম

Different Names of Mirpur Benarasi Saree

বেনারসি শাড়ির রঙের বৈচিত্র

আসল বেনারসি শাড়ি চেনার উপায়

আসল কিংবা নকল মিরপুর বেনারসি শাড়ি দেখতে গেলে  আপনাকে শাড়ি উল্টে দেখতে হবে। আসল বেনারসির পিছন দিকে ঘন সুতো দেখা যায় যেটা নকল বেনারসিতে থাকে না।  বেনারসি চেনার আরও একটি উপায় হল যে, আসল বেনারসিতে সব সময় আঁচলের দিকে ছয় থেকে আট ইঞ্চি লম্বা প্লেন সিল্কের প্যাচ থাকে। এটা নকল বেনারসিতে থাকে না। 

Take care of Benarasi Saree

শখের বেনারসি শাড়ির যত্ন!

বেনারসি শাড়ির যত্ন নেওয়ার প্রসঙ্গ উঠলেই আমরা আরও সতর্ক হয়ে যাই। কারণ এটি যে আমাদের খুব প্রিয় শাড়ি। তাই প্রিয় শাড়ি যত্ন করার জন্য যে একটু বেশি সতর্ক আমাদের থাকতেই হবে।

প্রত্যেক শাড়ি আলাদা রাখুন

অনেকেই বেনারসি ও অন্যান্য শাড়ি একসাথে ভাঁজ করে রাখেন, এতে করে একটি শাড়ির সঙ্গে অন্য শাড়ির ঘষা লেগে শাড়ি দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আলাদা আলাদা ভাঁজ করে রাখুন।

রাখতে পারেন সুতির কাপড় মুড়িয়ে

বেনারসি শাড়ি খুব একটা পরা হয় না। সেই কারণেই ছয়মাস পর পর শাড়ি আলমারি থেকে বের করে ভাঁজ বদলে, আবার গুছিয়ে রেখে দিন। আপনার বাড়িতে পুরনো সাদা সুতির কাপড় নিশ্চয়ই আছে? ভাজ করে রাখার সময় সুতি কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে আলমারিতে তুলে রাখুন। 

বেনারসি কাচবেন না বা রোদে দিবেন না।

ভুলেও এই কাজটি কখনও করবেন না। আপনার প্রিয় শাড়িটি প্রফেশনাল পলিশার দিয়ে পলিশ করিয়ে কিংবা ড্রাই ওয়াশ করে রাখবেন। বেনারসি শাড়ি বাসায় আয়রন না করাই ভালো। আয়রন যদি করতেই হয়, তা হলে সুতির কাপড় শাড়ির উপরে রেখে তার পরে আয়রন করুন।

হ্যাঙারকে না বলুন 

অনেকেই শাড়ির ভাঁজ নষ্ট না করতে হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রাখেন। কিন্তু এর ফলে শাড়ির সুতো কেটে শাড়ি ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া ঝুলিয়ে রাখলে কাপড়ে টান পড়ে শাড়ির নকশা গুলো নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে।

মিরপুর বেনারসি শাড়ির বর্তমান অবস্থা

Mirpur Katan | shop online: Aarong

বেনারসি শাড়ির দরদাম

গদি ঘরগুলোতেই বেনারসি শাড়ির খুচরা ও পাইকারি কেনাবেচা হত সাধারণত। পরবর্তীতে চাহিদা বাড়তে থাকায় গদি ঘরগুলোর সংখ্যা বাড়তে থাকে। পুরনোদের সাথে নতুন নতুন উদ্যোক্তা যোগ দেয়। পরবর্তীতে গদিঘরগুলো আধুনিক শোরুমে পরিণত হয়। বর্তমানে মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ মিলিয়ে মোট ২ হাজারের মতো কারখানা রয়েছে। আগে আরও বেশি ছিল। এছাড়া মিরপুর-১০ এ ১২০টি এবং মিরপুর-১১ ও ১২ মিলে আরও শতাধিক বেনারসির দোকান রয়েছে।

এখানে ২০-৩০ প্রকারের ডিজাইনের শাড়ি পাওয়া যায়। এসব শাড়ির গুণগত মানও যেমন উন্নত তেমনি দামও চড়া। যেমন – মসলিন বেনারসি ৮ থেকে ১৭ হাজার টাকা, কাতান বেনারসি ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা, ব্রোকেট বেনারসি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা, কার্পেট বেনারসি ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, মসলিন ২-৩ হাজার টাকা, নেট জুট সাড়ে ৪ থেকে ৮ হাজার টাকা, বিয়ের গর্জিয়াস শাড়ি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা, সফট সিল্ক ৪ থেকে ৪২০০ টাকা, ঢাকাই জামদানি ৪ থেকে ৩০ হাজার টাকা, রেডি কোচা ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা, জুট হাফ সিল্ক আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া হানিকোট বেনারসি সাড়ে ৪ হাজার টাকা, রাজকোট বেনারসি ৫ হাজার টাকা, সুতি বালুচুরি ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, টিস্যু জুট সিল্ক জামদানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা, পিয়ান ও খাদি বেনারসি ৭ থেকে ১২ হাজার টাকা, কাঁথা স্ট্রিচ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা, টাঙ্গাইল সুতি জামদানি ১ থেকে ১৫ হাজার টাকা, মাসলাইস কাতান ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা, শাটিন বেনারসি ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

সমৃদ্ধকরন

  • বেনারসি শাড়ি মূল উৎপত্তিস্থল হিসেবে ভারতের বেনারশ  শহরের নাম চলে আসে ।
  • বেনারস শহরের সিংহভাগ তাঁতী  আনসার সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন বলে জানা যায় ।
  • ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ভারতের বেনারসের প্রায় ৩৭০টি মুসলমান তাঁতি পরিবার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসে। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ব্যবসা শুরু করে।
  • এই শাড়ি মানবচালিত একটি যন্ত্রের সাহায্যে তৈরি করা হয়। যাকে বলা হয় তাঁত। আর কারিগরদের বলা হয় তাঁতী ।
  • এই শাড়ি তৈরির মূল উপাদান হলো  কাঁচা রেশম সুতা। এর পাশাপাশি ব্যবহৃত হয় জরি সুতা।
  • বর্তমানে দেশী রেশম সুতার দাম বৃদ্ধির কারণে তাঁতীরা সস্তা চায়না সিল্ক সুতা ব্যবহার করে থাকেন।
  • ধরন বা ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে  শাড়ির বিভিন্ন  নাম। এখানে ২০-৩০ প্রকারের ডিজাইনের শাড়ি পাওয়া যায়।
  • বর্তমানে মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ মিলিয়ে মোট ২ হাজারের মতো কারখানা রয়েছে।
  • বেনারসি শাড়ি স্থানীয় কারিগরদের হাতে দেশে তৈরি হলেও এর কাঁচামাল আসে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, চীন থেকে। আর আমাদের দেশে বানানো এইসব শাড়ি রফতানি হয় ভারত, পাকিস্তান, চীন ও আমেরিকায়।

তথ্যসূত্র :

wikibangla ,

banglanews24,

dailyjanakantha,


March 9, 2024
Khadi-Weaving-খাদি-পুরাণ-x-bfa-x-fxyz-web

খাদি পুরাণ

ANINDETA CHOWDHURY
দেখতে যেন বাঙালির অন্দরমহলের মতোই। সিদেসাধা, আটপৌরে– তবু একটা মায়া লেগে আছে এর প্রতিটি কোণে।…
March 9, 2024

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error

আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা

X (Twitter)
Post on X
Pinterest
fb-share-icon
Instagram
FbMessenger
Open chat
1
Scan the code
Hello
How can i help you?
Skip to content