বাংলাদেশি ফ্যাশনের নতুন ট্রেন্ড: থ্রিফট শপিং

সারা বিশ্বে সাস্টেইনেবল ফ্যাশন মুভমেন্টের অংশ হিসেবে “থ্রিফট শপিং” বা ব্যবহারকৃত পোশাক কেনাবেচা অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটি মূলত ফ্যাশন শিল্পে এক ধরনের পুনর্ব্যবহারের ধারণা প্রচলিত করেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়,

thrift shopping

the latest
buzzword
in fashion

ফ্যাশন শিল্প পৃথিবীর অন্যতম প্রধান দূষণকারী সেক্টর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা বৈশ্বিক কার্বন ফুটপ্রিন্টের ৮-১০% অংশ জুড়ে রয়েছে। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে পোশাকের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ পানি, শক্তি এবং রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়, যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এছাড়া, ফাস্ট ফ্যাশনের কারণে দ্রুত নতুন পোশাক তৈরি ও ব্যবহৃত পোশাকের ফেলে দেয়ার প্রবণতা আরও বেশি ক্ষতিকর হিসেবে কাজ করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে, সারা বিশ্বে সাস্টেইনেবল ফ্যাশন মুভমেন্টের অংশ হিসেবে “থ্রিফট শপিং” বা ব্যবহারকৃত পোশাক কেনাবেচা অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটি মূলত ফ্যাশন শিল্পে এক ধরনের পুনর্ব্যবহারের ধারণা প্রচলিত করেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়, এবং সাম্প্রতিক সময়ে এই থ্রিফট শপিং প্রচণ্ডভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের থ্রিফট শপিংয়ের বিবর্তন:

বাংলাদেশে প্রথম দিকে থ্রিফটেড পোশাকের উৎস ছিল ঢাকা শহরের গাউছিয়া মার্কেট, নিউ মার্কেট, এবং বিভিন্ন ফুটপাত। এসব স্থানে স্বল্প মূল্যে ব্যবহারকৃত পোশাক কেনা যেত, যা মূলত বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সেকেন্ড-হ্যান্ড বা ওভারস্টক আইটেম। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই পোশাকগুলো জনপ্রিয় ছিল কারণ এগুলোর দাম অনেক কম এবং মানও যথেষ্ট ভালো হতো।

থ্রিফট শপিংয়ের জনপ্রিয়তার কারণ:

থ্রিফট শপিং মূলত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে:

বাংলাদেশও সাম্প্রতিক সময়ে এই থ্রিফট শপিং প্রচণ্ডভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

তেমনই বাংলাদেশের একটি অনলাইন শপ thrift stores থেকে থ্রিফট শপিং করতে পারবেন। এখানে কিনতে এবং বিক্রি উভয় করতে পারবেন।


আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা


আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংক


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial