কর্মজীবন
শিক্ষা সমাপ্তির পর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে সংস্কৃত বিভাগের প্রধান হিসেবে। তিনি সেখানে কর্মরত থাকাকালীন পশ্চিমা শিক্ষার প্রভাব এবং আধুনিক শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেন। এরপর তিনি সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হন এবং কলেজে শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কার করেন।
বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় বহু পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘বর্ণপরিচয়’। এই বই বাংলাভাষার শিক্ষার্থীদের জন্য সহজপাঠ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় হয় এবং এখনও শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সমাজ সংস্কারক
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রধান অবদানগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল তাঁর সমাজ সংস্কারের প্রচেষ্টা। তিনি নারীদের শিক্ষার প্রচলন ও বিধবা বিবাহের বৈধতা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তখনকার সমাজে বিধবাদের পুনর্বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল, এবং বিধবাদের প্রতি সমাজের অত্যাচার ছিল সীমাহীন। বিদ্যাসাগর এই সামাজিক অবিচারকে দূর করতে বিধবা বিবাহ আইনের প্রচলন করেন। ১৮৫৬ সালে তাঁর উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন (হিন্দু উইডো রিম্যারেজ অ্যাক্ট) প্রণীত হয়।
এছাড়া, তিনি কন্যাশিক্ষার প্রসারেও বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারীশিক্ষা প্রসারের জন্য তিনি কলকাতায় প্রথম নারী স্কুল স্থাপন করেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলে অনেক পরিবার তাঁদের মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ দিতে শুরু করে।
আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা
ছবিসূত্র: প্রিমিয়ার টু প্রেস: সব্যসাচি হাজরা
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংক

তারেক মাসুদ: সিনেমার ফেরিওয়ালা
bdfashion archive
বাংলার বাঘ: শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক
bdfashion archive
চন্দ্রাবতী: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি
bdfashion archive
জীবন্ত কিংবদন্তি বাউল শাহ আবদুল করিম: ভাটি বাংলার মাটির মানুষ
bdfashion archive
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন । Zainul Abedin
bdfashion archive



