আজ ৩০ নভেম্বর, বরেণ্য শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর মৃত্যুদিন। ২০১৪ সালে আর্মি স্টেডিয়ামে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উৎসবের চতুর্থদিনে বক্তব্য দেওয়ার পর মাথা ঘুরে পড়ে যান। তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঞ্চে তার শেষ বাক্যটি ছিলো – আমার একটি কথা বলার রয়েছে।
শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর ১৯৩২ সালে ৯ মার্চ ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৬ সালে তাকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০১০ সালে সুফিয়া কামাল পদক লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে শহীদ আলতাফ মাহমুদ পদকে ভূষিত হয়েছেন।

আপনার একটি শেয়ার আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
প্রায়ই আড্ডা দিচ্ছি চারুকলায়। সেই সময়ে যে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত কাজ করতেন, প্রায় সবার সঙ্গে ছিল ভালো বন্ধুত্ব। শিল্পকলা চর্চার শিক্ষক ও শিল্পী নাসরিন বেগমের আদর পেয়েছি সেই সময়ে আপন ভাইয়ের মত। তিনি প্রায় সকল শিক্ষকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে লাগলেন আপন ভাই বা ছেলেকে যেমন পরিচয় করিয়ে দেয় ঠিক তেমনি। একদিন অনেক শিল্পীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সবাইকে বললেন ও একটা ভালো ডকুমেন্টেশন করছে। সেখানে ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরি আরও অনেকে।
কাইয়ুম স্যারের ডিপার্টমেন্টের সামনে গিয়ে কয়টা ছবি তুললাম। অনুরোধ করলাম কাগজে একটু দাগ দিয়ে দিতে। তাঁর টেবিলের গ্লাসের নিচ থেকে একটা দাওয়াত কার্ডের অপর পিঠে আঁকা একটা ড্রইং দিলেন।
ছবি প্রিন্ট করে দিয়েছিলাম। স্যার আমার এই ছবিটা খুব পছন্দ করেছিলেন। বলেছিলেন-তাঁর পেইন্টিংয়ের মত। পরে স্যারের সঙ্গে কত স্মৃতি। আমার লিটলম্যাগ ‘ঢাকা ত্রৈমাসিক’ নামটা স্যারই দিয়েছিলেন ।

facebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Nasreen Begumকাইয়ুম স্যার সব ডিপার্টমেন্ট-এর টিচার্স রুমে বসে সময় ই কিছু না কিছু ড্রইং করতেন, বিশেষ করে যে কোন দাওয়াতের কার্ড গুলোতে।
Taeb Millat Hossainঢাকা ত্রৈমাসিক সংক্রান্ত কাজে আমরা একবার গাজী ভবনে স্যারের স্টুডিও বা বাসায় গিয়েছিলাম। সেটা ২০০৭-২০০৮ কোনো একটা সময়। স্যার তখন ত্রৈমাসিক ঢাকা এদিক-ওদিক করে ঢাকা ত্রৈমাসিক নামকরণ করে দিলেন।
আরও পড়ুন

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন । Zainul Abedin

চিত্রশিল্পী সৌরভের ‘শাশ্বত অস্তিত্ব’

ভাস্কর শামীম সিকদার | SHAMIM SIKDER

শিল্পী এস এম সুলতান | S M Sultan



