ঈদুল আযহা মুসলমানদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম । চলতি কথনে এই উৎসবটি কুরবানির ঈদ নামেও পরিচিত । দুটি ঈদের মাঝে সময়ের ব্যবধান এতো অল্প যে একটি ঈদের রেশ কাটতে না কাটতেই কুরবানি ঈদের আয়োজন শুরু হয়ে যায় । এই ঈদে পোশাকের চাহিদা অনেকটা কম থাকলেও উৎসবকে প্রাণবন্ত করতে দেশি ফ্যাশন হাউসগুলো প্রতিবছর বেচিত্র্যময় পোশাক নিয়ে বিশেষ আয়োজন করে থাকে। এখানে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর ঈদের আয়োজন| EID-UL-ADHA 2012 এর কিছু নমুনা দেয়া হল ।
আমাদের দেশীয় পোশাক শিল্প ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে ফ্যাশন হাউজ হয়ে ওঠা এই কয়েক দশক ধরে। এর ভিতর দেশীয় উদ্যোক্তাদের নানা সিমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে । এসেছে অনেক পরিবর্তন এবং বিবর্তন । যা একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান কে আন্তর্জাতিক ব্রান্ড তৈরীতে মনযোগী হতে সহোযোগীতা করছে । মনে হল এই পথ চলার একটা সংগ্রহশালা থাকা দরকার। তাই, দেশীয় পোশাক শিল্পের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্যগুলো এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার চেষ্টা । যা আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে দিবে দিক নির্দেশনা। যাতে সহজেই আমাদের সমৃদ্ধময় অতীতকে বিচার বিশ্লেষন করে সামনের পথ চলতে পারে ।
তথ্যগুলো আরো সমৃদ্ধ করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি –
A
Aarong
EID-UL-ADHA COLLECTION 2012 | Shop online: www.aarong.com
Anjans
EID-UL-ADHA COLLECTION 2012 | Shop online: www.anjans.com | Further queries: 01677-558877
K
KayKraft
EID-UL-ADHA COLLECTION 2012 | Shop online: www.kaykraft.com | Further queries: +880 2-9894303
বাংলাদেশি ফ্যাশনের যে বিবর্তন তাতে বড় ভূমিকা রেখেছে ক্রেতাদের ফ্যাশন সচেতনতা এবং পোশাকে দেশীয় নকশার সাথে আন্তরজাতিক হাল-চাল এর মেলবন্ধন । যা একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান কে আন্তর্জাতিক ব্রান্ড তৈরীতে মনযোগী হতে সহোযোগীতা করছে ।
আন্তর্জাতিক মানের ব্রান্ড হতে হলে বাড়াতে হবে পণ্যের গুণগত মান এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে বিশ্ব দরবারে ।
দেশীয় পোশাক শিল্পের পথচলা এতটা সহজ ছিল না। নানা সিমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তাদের যেতে হয়েছে। অনেকের সফলতার আসলেও অনেকেই হাল ছেড়ে দিয়েছে মাঝ পথে। কিন্তু প্রত্যেকের অবদান স্বীকার করতে হবে ।
Source : From the Facebook pages of fashion houses in Bangladesh

























