তাঁতের গল্প
পাবনার তাঁতশিল্পের ইতিহাস এক কথায় রোমাঞ্চকর। ১৯২৩ সালে যখন তাঁত গুণে দেখা হয়েছিল, তখন এর সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে নয় হাজার। এই সংখ্যা যেন এক একটি তাঁত-মেশিন নয়, বরং পাবনার মানুষের পরিশ্রম, সৃজনশীলতা আর ঐতিহ্যের প্রতীক। কিন্তু ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর, এক দুঃখের অধ্যায় শুরু হয়। পাবনার তাঁতশিল্পে নেমে আসে এক কঠিন সময়। দক্ষ কারিগররা পশ্চিমবঙ্গে চলে যান। কিন্তু পাবনার তাঁতশিল্প থেমে থাকেনি। তাঁতিরা নতুন উদ্যমে শুরু করেন। তাঁতের মেশিনে ফের ফিরে আসে প্রাণ। নতুন নতুন নকশা আর সৃজনশীলতায় তাঁতিরা মুগ্ধ করেন নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত নারীদের।
১৯৫৬ সালে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, তখন পাবনায় হাতে চালানো তাঁতের সংখ্যা ছিল সাড়ে ৪২ হাজার। আর ১৯৭৮ সালের হিসেব অনুযায়ী হ্যান্ডলুমের সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৬ হাজারে। লক্ষাধিক কারিগরের হাতের জাদু এই তাঁতশিল্পে প্রাণ সঞ্চার করেছে।
পাবনার তাঁতশিল্পে তুলার অবদান অবিশ্বাস্য। ব্রিটিশ আমলে এখানকার জমিগুলোতে প্রচুর তুলার চাষ হতো। সেই তুলা থেকে তৈরি হতো মজবুত সুতা, যা তাঁত মেশিনে পরিণত হতো শাড়ির মোহনীয় বুননে। স্বদেশি আন্দোলনের সময় এই তুলা-তাঁতশিল্প আরও জোরদার হয়। তাঁতিরা তাদের সৃষ্টিশীলতাকে ব্যবহার করে এমন সব নকশা তৈরি করতেন, যা শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও জনপ্রিয়তা লাভ করে।
আপনার একটি শেয়ার এবং মন্তব্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা ❤️

পাটোলা শাড়ি: ডাবল ইকাতের রাজকীয় গল্প
bdfashion archivePatola Sareeপাটোলাশাড়ি দায়িত্ব নিয়ে বলা যায় – যদি ইকাত টেক্সটালের সর্বোচ্চ শিল্প রূপ দেখতে চাই…

পাবনার শাড়ি: ঐতিহ্যের সুর, বুননের গল্প
fayze hassan
চুরি হওয়া কোনো শাড়ির নাম, টাঙ্গাইল শাড়ি
bdfashion archive
শাড়িতে সাহিত্য
bdfashion archive
বাংলাদেশি সেরা দশ শাড়ি
fayze hassan
শীতের পোশাক | WINTER CLLECTION 2017
bdfashion archiveআমাদের সোশ্যাল মিডিয়া লিংক



