ভাস্কর রাসা -র জন্ম ১৯৫৮ সালে ১৮ মে, কুমিল্লা। তিনি ১৯৮১ সলে বাফা (বুলবুল ললিতকলা একাডেমি) থেকে ভাস্কর্যে ডিপ্লোমা প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। সেখান থেকেই শুরু, একজন স্বাধীন শিল্পী।
ভাস্কর রাসা
পুরষ্কার
বিগত শতাব্দির আশির দশকে সেগুন কাঠের ভাস্কর্য গড়ে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেণ। অসাধারণ সেই কাজে ১৯৮৩ সালে দ্বিতীয় এশিয়ান বিয়েনালে গ্রান্ড প্রাইজ অর্জন করেন। তিনটি গ্রান্ডের মধ্যে অন্য দুজনের একজন ছিল জাপানীজ ও একজন কোরিয়ান। দ্বিতীয় এশিয়ান ভিয়েনালে চারজন জুরিদের মধ্যে দুজন ছিলেন বিদেশি আর বাংলাদেশি দুজনের মধ্যে শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদ এবং মুর্তজা বশীর।
প্রতিবাদ
এরশাদের শাসনামলে কালচারাল কমিশন একটা আইন করেছিল ৬০ টা শিল্পকর্ম না হলে একজন শিল্পী জাতীয় চিত্রশালায় প্রদর্শনী করতে পারবে না। শিল্পকলা একাডেমির এই আইনের প্রতিবাদে ১৯৮৭ সালে তিনি চারটা ভাস্কর্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। পরে শিল্পকলা একাডেমি তাঁর প্রদর্শনী করতে বাধ্য হয়।
কাজ
তাঁর সর্বশেষ কাজ চাপাশীল কাঠের বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতি। একটি গাছের গুড়ি দিয়ে বিশাল এই কাজ। পুরো ভাস্কর্যটির উচ্চতা সাত ফুট। জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত তাঁর কাঠের ভাস্কর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে খুঁজে বের করি রাসাকে। ১৯৯৭ সালে কোন একদিন শাহবাগে বসে কথা হয় রাসার সঙ্গে। সেখানেই তিনি আমাকে এঁকে দেন শকুনের প্রতিকৃতি। যে শকুন নিশ্চিহ্ন করতে চেষ্টা করছে মানব সমাজ। এই শকুনিদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদ। তাইত দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনে সামনে দেখা যায় তাঁকে।

Facebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Taeb Millat Hossainআপাদমস্তক একজন শিল্পী। শুভ কামনা
Sajal Sutradharআমি যখন বুল বুল ললিতকলা একাডেমিতে পড়িতখন ভাস্কর রাশা দার কাজ ওপ্রেমের কথা শুনে তাকে দেখার জন্য পাগল ছিলাম। একদিন তার বক্তিতা শুনে আরো মুগ্ধ হলাম। মনে হলো এই রকম মানুষই তো দরকার আমাদের সমাজ ও দেশের জন্য। ভালোবাসা প্রিয় শিল্পীরর জন্য এবং প্রিয় লেখকের জন্য।






