ভাস্কর মাহবুব জামাল শামীম এর জন্ম ১৯৬০ সালের ৩১ ডিসেম্বর, যশোর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক ১৯৮৪ সালে। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন ১৯৮৭ সালে। আমেরিকায় তিন বছরের ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন ১৯৯৯ সালে।
ভাস্কর মাহবুব জামাল শামীম
কর্মজীবন
১৯৮৫ সাল উত্তাল সময়। স্নাতক শেষে চলে যান যশোর। সমমনা দশ জন শিল্পী মিলে গড়ে তোলেন ‘চারুপীঠ’ শিল্পকলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাদের রাজধানী থেকে শিল্পকলা শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়াস, উদাহরণ হয়ে আছে।
মঙ্গল শোভাযাত্রা
তাঁর হাত ধরেই মঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনা। তিনি চারুপীঠের প্রিন্সিপাল ছিলেন ৩০ বছর। তিন বছর আগে একক প্রদর্শনীর কাজের জন্য নিয়েছিলেন ছুটি। সেই প্রদর্শনীর সফলতায় নতুন উদ্যমে কাজ করতে থাকেন। তৈরি হয়েছেন আরও একটি প্রদর্শনীর জন্য।
চিত্রশিল্পী থেকে ভাস্কর
মাহবুব জামাল শামীম, শিল্পী এস এম সুলতানদের শিক্ষানবীশ ছিলেন। হওয়ার কথা ছিল চিত্রশিল্পী। কিন্তু, চারুকলায় এসে আকর্ষণ করে তাঁকে ভাস্কর্য। তিনি ফিগারকে প্রস্থে বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি ২০১৩ সালে ভেনিস বিয়েনালে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে শিল্পী হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
মাহবুব জামাল শামীমের সঙ্গে ১৯৯৯ সালে দেখা হয় শিল্পী মোখলেসুর রহমানের বাসায়। পরিচয়ের পর চারুপীঠ নিয়ে অনেক গল্প হয়। সেখানেই দুর্গার ফর্মে এই ড্রইংটুকু করে দেন।


ভাস্কর মাহবুব জামাল শামীম
আলোকচিত্রটি ১৯৯৯ সালে তোলা
আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ
facebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Abdul MannanValo thako Shameem , kaaj kore egie jao
Zahid Mustafaভাস্কর মাহাবুব জামাল শামিম আমাদের এক কৃতী সহপাঠী। সামান্য সংশোধনী- আমাদের বিএফএ ১৯৮৪ সালে। এমএফএ ১৯৮৭। ২০১৩ সালে ভেনিস বিয়েনালে শামিম আমাদের সংগে অংশ নিয়েছেন।
Taeb Millat Hossainমঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনাকারী এই শিল্পীর জন্য শ্রদ্ধা।
Md Rezwanul Hoqueআমার প্রিয় মানুষ এবং শিল্পী। আমার অনুপ্রেরণা। অনেক ভালোবাসা ভাইয়ের জন্য।











