পুরনো একটা বাড়ি, পেইন্টিংয়ের গোডাউন। মাথায় ঝাকড়া চুলে এক লোক বেড়িয়ে এলেন। শার্টের বোতাম নিচে একটা লাগানো। গলার নিচ থেকে ফাড়া, বুকের দাগ চোখে পরছে।
১৯৯৮ সালের কোন একদিন চারুকলার প্রথম ছাত্র শিল্পী আমিনুল ইসলাম কে ফোন দিলাম “দেখা করতে চাই, ছবি তুলব আর কিছুই না।” শুনে বললেন- “আসতে পার, মালিবাগে আমার বাসা, আমি বাসায়ই আছি।”
প্রথম দেখা
গিয়ে দেখি পুরনো একটা বাড়ি, পেইন্টিংয়ের গোডাউন। মাথায় ঝাকড়া চুলে এক লোক বেড়িয়ে এলেন। শার্টের বোতাম নিচে একটা লাগানো। গলার নিচ থেকে ফাড়া, বুকের দাগ চোখে পরছে। আমার শিল্পীদের নিয়ে আগ্রহ দেখে উৎসাহ দিলেন। অনেক গল্প করলেন।
শিল্পী আমিনুল ইসলামকে নিয়ে ডকুমেন্টারি
ছোট্ট একটা কাগজে ড্রইং করে দিলেন। তারপর বহুবার গিয়েছি স্যারের বাসায়। মালিবাগ, গুলশান, বারিধারা স্টুডিও । স্যারের ওপর একটা ডকুমেন্টারি করেছিলাম ২০০৬ সালে। তখনতো ক্যামেরা এত সহজলভ্য নয়। বিটিভির ক্যামেরা পার্সন জাহিদ ভাইয়ের আগ্রহেই করা। সেটা এখনও আলোর মুখ দেখেনি।
স্যারের দেয়া প্রথম ড্রইংটা বন্ধু আশফাকুর রাহমানকে গিফট করেছি। কত স্মৃতি স্যারে কাজের সঙ্গে!!!
শিল্পী আমিনুল ইসলাম | সংগ্রাহক : মোহাম্মদ আসাদ
শিল্পী আমিনুল ইসলাম
আলোকচিত্রটি ১৯৯৮ সালে তোলা
আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ
facebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Ranjit Das স্যারকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা। তাঁর স্নেহচার্যে আমিও ধন্য। আমি তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।