শিল্পী সুফিয়া বেগম এর জন্ম ১৯৬৮ সালের ২৮ জুলাই, চট্রগ্রাম। তিনি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা বিভাগ থেকে স্নাতক ১৯৮৮ সালে। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার করেন ১৯৮৯ সালে। তিনি এম ফিল করেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘রশিদ চৌধুরী, শিল্পীওসংগঠক’।
শিল্পী সুফিয়া বেগম
কর্মজীবন
সুফিয়া বেগম চট্রগ্রাম বিশ্বিদ্যালয় চারুকলা বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন ১৯৯৪ সালে। এখনও আছেন সেখানেই।
ক্যানভাস
তাঁর ক্যানভাসে ওঠে আসে স্থাপত্য কাঠামোর মধ্যে নারী। ঈভ রূপে তিনি নারীকে উপস্থাপন করে চলেছেন সৃষ্টিশীলতা ও শক্তির প্রতীক হিসেবে।
পুরস্কার ও সম্মানণা
সুফিয়া বেগম ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে শিল্পকলা একাডেমির ১৩ তম জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরস্কার (এ বি ব্যাংক পুরস্কার) লাভ করেন। সেই সময়ে চট্রগ্রামের একজন ইয়াংয়ের এত বড় এওয়ার্ড আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়ায়।
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সুফিয়া বেগমের সঙ্গে দেখা হয় পুরস্কার গ্রহনের দিন। গল্প হয় চট্রগামের শিল্পকলা আন্দোলন নিয়ে। একটু ড্রই করে দিতে বললে পরের দিন একটি ড্রইং করে নিয়ে আসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। পরের দিন আমাকে এই ড্রইংটুকু করে দেন।


শিল্পী সুফিয়া বেগম
আলোকচিত্রটি ১৯৯৮ সালে তোলা
আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ

আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ
শুভ জন্মদিন
শিল্পী সুফিয়া বেগম

আরও পড়ুন
পাটোলা শাড়ি: ডাবল ইকাতের রাজকীয় গল্প
Patola Sareeপাটোলাশাড়ি দায়িত্ব নিয়ে বলা যায় – যদি ইকাত…
ইকাত: ‘পারফেক্টলি ইমপারফেক্ট’ নকশার পেছনের গল্প
Ikatইকাত জানেন কি এমনও ইকাত আছে যা বুনতে ৫…
থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী মুদমি সিল্ক
Mudmee Silk ভাবুন তো, প্রথমে কিছু সুতা নেয়া হলো।…
গুজরাটি সেলাই নাকি Sindhi Stitch?
সিন্ধি ডিজাইন (Sindhi Design) বা সিন্ধি মোটিফ হলো পাকিস্তান…






