স্থপতি শিল্পী মোস্তফা খালিদ পলাশের জন্ম ১৯৬৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, ঢাকা। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্থাপত্য বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন ১৯৮৮ সালে। পাশ করার পর উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য শিক্ষকতা শুরু করেন।
স্থপতি শিল্পী মোস্তফা খালিদ পলাশ
কর্মজীবন
১৯৯৮ সালে শিক্ষতকা পেশা ছেড়ে দিয়ে ‘ভিস্তারা আর্কিটেক্টস’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেই প্রতিষ্ঠান এখন সুপরিচিত নাম। সুপরিচিত স্থপতি পলাশ। তিনি এই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ট স্থপতি। তাঁর নকশায় গড়ে ওঠেছে বসুন্ধরা সিটি, গ্রামীণফোন দপ্তরসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য। কিন্তু মোস্তফা খালিদ পলাশ নিজেকে চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচয় দিতেই পছন্দ করেন।
শৈশব
সেখানেও সৃষ্টি রয়েছে অনেক। তাঁর বাবা-মা ছিলেন চারুকলা থেকে পাশ করা চিত্রশিল্পী। সে কারনেই মোস্তফা খালিদ পলাশের শৈশব থেকেই ছবি আঁকার শুরু। স্কুল জীবনেই মাত্র ১৬ বছর বয়সে হয়েছে একক প্রদর্শনী। সেই প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন পটুয়া কামরুল হাসান। কিন্তু বাবা-মা পছন্দ করেননি শিল্পী হয়ে অনিশ্চিত জীবনের দিকে যাক। সেই সময়ে চিত্রশিল্পীদের অবস্থা ছিল করুণ।
শিল্পকলার চর্চা
নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকেই তাকে ভর্তি করানো হয় বুয়েটে। সেখানে ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় ষষ্ঠ হয়েছিলেন। স্থাপত্য বিদ্যায় ছিল ভালো ফলাফল। তার সঙ্গে নিয়মিত ছিল ছবি আঁকার চর্চাটা। তিনি কাগজ-কলম নিয়ে ছবি এঁকে স্বাদ পূরণ করেননি। করেছেন নিয়মিত শিল্পকলার চর্চা।
ক্যানভাস
বিশাল বিশাল ক্যানভাসে অয়েলে এঁকেছেন আর্কিটেক্সারাল নানা রকম ফর্ম। সেখানে খেলা আছে রঙেরও। একক প্রদর্শনী করেছেন চারটি। দেশ-বিদেশে দলীয় প্রদর্শনীতে আছেন নিয়মিত। গড়েছেন একটি চিত্রকলা গ্যালারি।
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
এখন স্থাপত্য নকশা এবং শিল্পচর্চা চলছে সমান তালে। সঙ্গীত চর্চায়ও সফল তিনি। তাঁর ভরাট কন্ঠে রবীন্দ্র সঙ্গীত চমৎকার। তাঁর রবীন্দ্র সঙ্গীতের কয়েকটি সিডিও প্রকাশিত হয়েছে। বহুগুনের অধিকারি এই স্থপতি শিল্পীর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয় ২০০৫ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রাঙ্গনে। তখন তিনি স্থপতি হিসেবে স্টার।
আমি জানতাম তাঁর শিল্পচর্চার কথাও। একটু কিছু এঁকে দিতে বললে তিনি আমাকে এঁকে দেন নিমতলী দেউরি।


facebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Mustapha Khalid Palashপ্রিয় আসাদ ভাই। আমি অভিভূত, আপ্লুত আর আবেগান্বিত। আমার অন্তরের গহীনের কৃতজ্ঞতা নেবেন। এমন সুন্দর লেখায় আমায় তুলে ধরেছেন তাই আমি আনন্দিত। ![]()
Alauddin Ahmedপলাশের গুনা গুন নিয়ে তার বাবা আনেক আশানুরুপ আলোচনা করতেন মুত্তি যুদ্ধ চলচে রাজারবাগে আগুন আমরা কারফিউতে রাতের অন্ধকারে শিদ্বেশশরী পলাশদের বাসায় পরবতী তে কি করা যায় আলোচনায় রাত কাটিয়েছি তিন সন্তান এম জি মোস্তফা সারের রাতের পর রাত আমাদের খাওয়াতেন ভাবী সহ সব স্মৃতি হয়ে আছে আজ মুক্তি যুদ্ধের শুরুতে ।আদরের পলাশ আজ দেশের সুনাম যোগ্য ব্যক্তি আমার চাইতেও তাঁরা বেঁচে থাকলে যে কি খুশী হতেন যা মনে পরে আমার চোখে জল আসছে
Limon Hossainতার চেহারার সাথে মোনালিসার চেহারার একটা মিল আছে ভাই শুভ কামনা
















