শিল্পী অশোক কর্মকার

Chief Artist, The Daily Prothom Alo, Dhaka

শিল্পী অশোক কর্মকার

Spread the love
  • 2
    Shares

শিল্পী অশোক কর্মকারের জন্ম ১৯৬৩ সালের (৩১ শ্রাবন), ঝালকাঠী জেলার কীর্ত্তিপাশা গ্রামে ।। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক ১৯৮৪ সালে। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন ১৯৮৮ সালে।

তাঁর শিক্ষা জীবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে স্বকীয় ভুমিকা পালন করেছেন। ১৯৮৭-৮৮ সালের সেই উত্তাল সময়ে তিনি ছিলেন ডাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক।

দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার শুরুতেই শিল্পী হিসেবে কর্মজীকনের শুরু। প্রথম আলো প্রতিষ্ঠাকালে যোগ দেন পত্রিকাটিতে। এখন সেখানেই আছেন প্রধান শিল্পনিদের্শক হিসেবে।

তিনি ‘ঢাকা পদাতিক’ এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাট্যকর্মী। সেখানে অনেক নাটকের সেট ডিজাইন ও শিল্পনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি অনন্য স্থাপনা শিল্প ‘কালরাত্রি’ ১৯৯৬ সালে। এটি পরে জাপানে নিয়ে যান।

মাতৃভাষার ওপর কাজ একুশ থেকে বিশ্ব। ২১ জন শিল্পীকে নিয়ে ২১টি দেশের ভাষা এবং ৩১টি দেশের জাতীয় সঙ্গীত ও লোকসঙ্গীতের সমন্বয়ে উপস্থাপন করা হয়।

২০১১ সালে বেঙ্গল গ্যালারিতে ‘উৎসারিত আলোয়’ শিরোনামে আরও একটি স্থাপনা শিল্প করেন। ২০১৩ সালে ৫৫তম ভেনিস বিয়েনালে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ গ্রহণকারী অন্যতম শিল্পী তিনি।

১৯৯৬ সালে সঙ্গীত-আলো-নির্মিতি সমন্বয়ে স্থাপনা শিল্প ‘কালরাত্রি’ আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। শিল্পকলা একাডেমির পুরনো গোলাকার গ্যালারিতে প্রবেশ করেই ভেবাচেকা খেয়ে গেছি।

২৫ মার্চ একাত্তর বইয়ে যেমন পড়েছি, মানুষের মুখে যেমন শুনেছি ঠিক সেই ভয়াবহ অবস্থা সেখানে বিরাজ করছে। হানাদার বাহিনীর আক্রমনে সব লন্ডভন্ড। কোথাও মানুষ পুড়ে মরে পরে আছে। ঘর-বাড়িগুলো সবই কিছুক্ষণ আগে পুড়েছে। ঘরের খুটির আগুন শেষ অংশ এখনও জ্বলছে। নাকে ভেসে আসছে পোড়া গন্ধ। এই কাজ দেখে অশোক কর্মকারের ভক্ত হয়ে যাই।

১৯৯৮ সালে কোথায় তাঁর সঙ্গে দেখা হয় এখন আর মনে নাই। সেখানেই তিনি আমাকে একটি ড্রইং করে দেন। প্রথম আলো’র শুরুতে অশোকদা আপনজন হয়ে যান।

শিল্পী অশোক কর্মকার .
শিল্পী অশোক কর্মকার | সংগ্রাহক : মোহাম্মদ আসাদ
শিল্পী অশোক কর্মকার

শিল্পী অশোক কর্মকার

আলোকচিত্রটি ১৯৯৮ সালে তোলা

আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ


facebook থেকে নেয়া :

মন্তব্য করেন | 

S A Rashid Cpbশুভেচ্ছা ও অভিনন্দন অশোক তরু কর্মকার কে। ছাত্র আন্দোলনের এক কালের সহযাত্রী

Zahid Mustafaঅশোকের সাথে আমার বন্ধুতার একচল্লিশ বছর পার হয়েছে! চারুকলায় ১৯৭৯ সালে আমাদের ক্লাস শুর আগে থেকেই ওর সাথে আমার পরিচয় ঘটে অগ্রজবন্ধু শিশির ভট্টাচার্যের কল্যাণে!ওরা তিন বরিশাইল্লা একসাথে থাকতো! অশোক, হাবিব আর অকালপ্রয়াত জন এলবার্ট রায়! তিনজনে মিলে এক সাইকেলে যাতায়াত করতো!এই তিন বরিশাইল্লার সাথে এক টাংগাইল্লার যে কিভাবে বন্ধুত্ব হলো সে এক ইতিহাস!এর পেছনে ঈষিকা শিল্পী গোষ্ঠীর অবদান! এর মাধ্যমে আমরা আরও অনেক বন্ধুকে কাছে পাই!অশোক যেমন আমার টাংগাইলের বাড়িতে গেছে ১৯৯৮ সালে, তেমনই আমি ওদের কীর্তিপাশার বাড়িতে যাই ২০১৫ সালের মে মাসে।

Kiriti Ranjan Biswasশুভ জন্মদিন দাদা।ভালো থাকবেন আপনার কাছে আমার অনেক ঋণ।অনেক পেয়েছি

Islam Prodhanঅশোক কর্মকার একজন প্রতিভাবান শিল্পী। আমরা তাকে ডাকসুতে সাস্কৃতিক সম্পাদক নিরবাচিত করেছিলাম।

Swapan Syedআমি তাঁর (অশোক’দা) কাছ থেকে শিখেছি অনেক।

Partha Rudraঅশোক দা’র সেই ‘কালরাত্রি’র কথা মনে হওয়ায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লাম।সেখানে জোড়ালো অংশগ্রহণ ছিল আমার।সঙ্গীত,আলোর সমন্বয়ে নির্মিত কালরাত্রিতে নাটকের গান ছিল।যেখানে বেশ কয়েকজন কোরাস অংশগ্রহণ করেছিল।আর সেই গানগুলির লিড করার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।আগের দিন বিকাল থেকে শেষরাত অবধি টেলিভিশনের পেশাদার যন্ত্রীদের নিয়ে রেহার্সেল, আড্ডা,খাওয়াদাওয়া আর গানগল্প।যেটা পরেরদিন শো শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে পরিসমাপ্তি হয়েছিল।অনেকদিন পর স্মৃতিকাতর হয়ে গেলাম।ভাল থাকবেন অশোকদা।

Uttam Karmakarআপনার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি। আপনার সাফল্য, যশ ও খ্যাতি বাংলা ও বাঙ্গালীর গৌরব গাঁথা হোক।

Rajina Wali Leenaআমাদের অশোকদা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু সাংস্কৃতিক দলের কান্ডারী অশোক দা অশেষ শ্রদ্ধা দাদা আজীবন সুস্থ থাকুন । ভালো থাকুন।

Zakaria Rahman Zihadভোরের কাগজের অফিসে দাদার কাছে একবার দেখা করতে গেছিলাম।বহু বছর আগে।গুনি মানুষ। প্রনাম দাদাকে।

Kabita Biswasপ্রিয়জনের সুখ্যাতি আনন্দিত করে সবাইকে ! শিল্পের সাথে এভাবেই থেকো চিরদিন — অনেক ভালবাসা আর শুভ কামনা থাকল ❤❤

Swapan Kumer Sen Guptaঅশোক ভালো থাকিস। সেই কবে দেখা হয়ছিলো দূর্গা পূজায় বাড়িতে। বাবুই পাখিরবাসা।

Abu Sharif Mahmood Khanদাদার সাথে অনেক কাজ করেছি। তিনি তার সময়ে আমাকে ডাকসু কালচারাল টিমের গেস্ট মেম্বার করেছিলেন। কারন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম না। আজও আমি গর্ব করে বলি আমি দাদকে সহযোগিতা করার সুযোগ পেয়েছিলাম।

Subodh Ranjon Mondal1988সালে ছাত্রইউনিয়নের সম্মেলনে তার চিত্রাংকন দেখেছিলাম।


Spread the love
  • 2
    Shares

Leave a Reply

%d bloggers like this: