মুসলিম মিয়া “লালন এবং অচিন পাখি” নিয়ে অনেক ছাপাই ছবি করেছেন। তাঁর ছাপাই ছবির প্রদর্শনীও হয়েছে একাধিক। গাজীপুরে তাঁর স্টুডিওতে রয়েছে নিজের হাতে গড়া দুইটি প্রিন্ট করার মেশিন।
শিল্পী মুসলিম মিয়া -র জন্ম ১৯৬১ সালের ৬ আগষ্ট, কিশোরগঞ্জ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমান চারুকলা অনুষদ) থেকে ছাপচিত্র বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন ১৯৮৪ সালে।
শিল্পী মুসলিম মিয়া
কর্মজীবন
পাশ করার পর বাংলাদেশ ব্যাংকে এনগ্রেভার পদে যোগ দেন ১৯৮৫ সালে। চাকরি অবস্থায় সুইজারল্যান্ডে মুদ্রার ডিজাইন এবং এনগ্রেইভিংয়ের ওপর এক বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহন করে ফিরেন ১৯৮৮ সালে। সে বছর থেকেই তাঁর গাজীপুর টাকশালে কাজ শুরু। বাংলাদেশের সর্বশেষ আটটি কাগুজে নোটের ডিজাইন তাঁর করা। এই বছর তিনি চাকরি থেকে অবসরে নিয়েছেন।
ক্যানভাস
মুসলিম মিয়া “লালন এবং অচিন পাখি” নিয়ে অনেক ছাপাই ছবি করেছেন। তাঁর ছাপাই ছবির প্রদর্শনীও হয়েছে একাধিক। গাজীপুরে তাঁর স্টুডিওতে রয়েছে নিজের হাতে গড়া দুইটি প্রিন্ট করার মেশিন। এখন প্লেট, প্রিন্ট আর ছবি আঁকা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
মুসলিম মিয়ার ছাপচিত্রের সঙ্গে পরিচয় ঘটে অনেক দিন আগে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা হয়ে ওঠেনি। একবার টাকশালে যাওয়ার পর তিনি ছুটিতে থাকার কারনে দেখা মিলেনি।
এই করোনাকালে গিয়ে হাজির হই তাঁর গাজীপুরস্থ বাড়িতে। বাড়ির উপর তলায় দুই কক্ষে দুইটি প্রিন্টের মেশিন। প্লেট, কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি মিলিয়ে বিশাল আয়োজন। রঙ-ক্যানভাসও কম নেই। আমাকে দিলেন লালন সিরিজের একটি প্রিন্ট।