শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য

Shishir Bhattacharjee is a Bangladeshi artist. His paintings, critical of the political establishment but always in a satirical fashion

শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য

Spread the love
  • 5
    Shares

শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য -্এর জন্ম ১৯৬০ সালের (২ বৈশাখ), ঠাকুরগাঁও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট ( বর্তমান চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক ১৯৮৩ সালে। তিনি মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। দেড় বছর পড়ার পর স্কলারশীপ নিয়ে চলে যান ভারতের বরোদায়। বরোদা এম এস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ক্রিয়েটিভ পেইনটিং’ বিষয়ে মাস্টার্স করেন ১৯৮৭ সালে।

কর্মজীবন :

দেশে ফিরে ১৯৮৮ সালে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। এখন সেখানে অধ্যাপক।

দেশের প্রায় বেশির ভাগ মানুষ চিনে এমন একজন ভাগ্যবান শিল্পী তিনি। শিশির ভট্টাচার্য আমজনতার কাছে পরিচিতি কাটুনিষ্ট হিসেবে। সেটা তাঁর অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত রেখার জন্যই। আবার ক্যানভাসে তিনি ভিন্ন এক শিশির ভট্টাচার্য।

ক্যানভাস : 

‘তিনজনের প্রতিকৃতি’ তাঁর অনন্য এক কাজ। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের তিন ঘৃণীত ব্যাক্তি জিন্না, আইয়ুব, ইয়াহিয়া। শিশির ভট্টাচার্যে আঁকা এই মুখগুলো দেখে আপনার ঘৃনা আসবেই। শিশির ভট্টাচার্য্যে অসাধারণ সিরিজ ‘খেলা দেখে যান বাবু’। সামাজিক ও রাজনৈকিত নানা অসংগতি নিয়ে ফ্যান্টাসি রয়েছে তাঁর এই সিরিজে।

বর্তমানে তাঁর ক্যানভাসে মানুষ, প্রকৃতি, প্রাকৃতিক উপাদান নানা রূপে স্থান করে নিয়েছে। তবে সেটা একটা কালার সারফেক্সে শুধু ব্লাক লাইনে। একুশের আলপনার পাশাপাশি কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে পাশে দেয়ালচিত্র হয়। সেখানে শিক্ষক আবাসিক এলাকায় দেয়ালে ভাষা নিয়ে নানা রকম বাণী চিত্রিত হয়। সেই বাণীর মধ্যেখানে বড় একটা জায়গা নিয়ে থাকে লাল জমিনের ওপর কালো রেখার অসাধারন চিত্রকর্ম। তার উপরের দিকে লেখা থাকে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’। প্রায় এক যুগ ধরে এই দেয়ালচিত্রটি করে আসছেন শিশির ভট্টাচার্য্য।

আমার শিল্পীদের নিয়ে কাজটা শুরুর পর বিগত শতাব্দির শেষ তিন বছর নিয়মিত চারুকলায় যেতাম। প্রায় প্রতিদিনই শিশির ভট্টাচার্য্যরে সঙ্গে দেখা হত। তাঁর হাসিমাখা মুখ সবার চেনা। সেই সময়ে চারুকলা ভিত্তিক উৎসব এবং একুশের আলপনা আঁকায় শিশির ভট্টাচার্যকে মাঠে পাওয়া যেত। তখন তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিক্ষক, এখনও আছেন।

১৯৯৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর চারুকলায় তাঁর ডিপার্টমেন্টে গিয়ে দেখা করি। তিনি ব্যস্ত ছিলেন জয়নুল উৎসবের কাজ নিয়ে। সেই জামেলার মধ্যেও অনেকটুকু সময় নিয়ে আমাকে এই ড্রইংটুকু করে দেন।

শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য +
শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য  |  সংগ্রাহক : মোহাম্মদ আসাদ
শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য ++

শিল্পী শিশির ভট্টাচার্য্য

আলোকচিত্রটি ১৯৯৮ সালে তোলা

আলোকচিত্রী : মোহাম্মদ আসাদ


acebook থেকে নেয়া :

মন্তব্য করেন | 

Sohel Riajulবিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। স্যারের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। সত্যিই তিনি অসাধারণ, মেধাবী চিত্রশিল্পী।

Taeb Millat Hossainবেশি মিস করি প্রথম আলোর কার্টুনে।

Nasreen Begumছবি আঁকা তো বটেই, আমার চোখে দেশের একজন সেরা কার্টুনিস্ট। বহু বছর শিশির-এর কার্টুন দেখি না….


Spread the love
  • 5
    Shares

Leave a Reply

%d bloggers like this: