তিনি ধাতব ভাস্কর্য নিয়ে অসাধারণ কাজ করেছেন। ধাতব ঝালাই ভাস্কর্য গড়ে নিজের পরিচিত করতে পেরেছেন। দক্ষতা তাঁর রেখাচিত্রেও। ম্যানেজিং এডিটর ছিলেন ‘আর্ট’ নামে একটি ইংরেজি শিল্পকলা বিষয়ক পত্রিকার।
ভাস্কর তৌফিকুর রহমান এর জন্ম ১৯৫৯ সালের ৫ ডিসেম্বর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট ( বর্তমান চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক ১৯৮১ সালে। দি সেন্ট্রাল একাডেমি অব ফাইন আর্টস; বেইজিং, চীন থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন ১৯৮৫ সালে।
ভাস্কর তৌফিকুর রহমান
কর্মজীবন
তিনি নানা জায়গায় বৈচিত্রপূর্ণ চাকরি করেছেন। ১৯৮৬ থেকে ৮৭ সাল ডিজাইনার হিসেবে চাকরি করেছেন নকশা কেন্দ্রে, বিসিক। ১৯৮৭-৮৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেছেন (খন্ডকালীন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় চারুকলা অনুষদে। ১৯৮৯ থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত চাকরি করেছেন ভলান্টারি হেলথ সার্ভিসসোসাইটি(ভিএইচএসএস), এনজিও’তে। ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ডিজাইনার হিসেবে চাকরি করেছে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি)। ২০০৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন সিসিমপুর, এনিম্যাশন প্রোগ্রামে। তারপর থেকে স্বাধীন ভাস্কর।
তিনি ধাতব ভাস্কর্য নিয়ে অসাধারণ কাজ করেছেন। ধাতব ঝালাই ভাস্কর্য গড়ে নিজের পরিচিত করতে পেরেছেন। দক্ষতা তাঁর রেখাচিত্রেও। ম্যানেজিং এডিটর ছিলেন ‘আর্ট’ নামে একটি ইংরেজি শিল্পকলা বিষয়ক পত্রিকার।
তৌফিকুর রহমানের ভাস্কর্যের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে ২০১৩ সালে। আমাদের চেনা ভাস্কর্যগুলোর বাইরে তাঁর কাজ। ছোট ছোট মনোমুগ্ধকর মেটালের কাজ। তাঁর রেখাচিত্রে রয়েছে ভাস্কর্যের আদল। নানা করনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ঘটে সম্প্রতি সময়ে।
তিনি আমাকে দিলেন একটি প্রিন্ট। অসাধারণ এই কাজেও কিন্তু ভাস্কর্যের আদল চোখে পরে।
শিল্পী তৌফিক ছোট ভাইএর মতোই….My dear person…….বিসিক বেশ কয়েক বছর একসাথে কাজ করেছি…..তখনকার একটি কাজ আমাকে তৌফিক গিফট করেছিলো…..এই কাজটি এখনো সযতনে আমার কাছে রাখা আছে……