শিল্পী রতন মজুমদার এর জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ মার্চ, ফেনী। ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ) থেকে সিরামিকসে ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন ১৯৭৮ সালে।
শিল্পী রতন মজুমদার
পড়েছেন সিরামিকসে, কিন্তু তিনি আত্মস্থ করলেন জলরঙ, তেলরঙ আর প্রিন্ট মেকিং। তারপর অসুস্থতার কারনে ঢাকা ছেড়ে চলে যান জন্মস্থান ফেনীতে। সুস্থ হয়ে ফেনীতেই কাজ শুরু করেন। গড়ে তোলেন নিজের স্টুডিও।
‘কিবরিয়া আজীবন সম্মাননা ২০২১’
কিবরিয়া প্রিন্ট মেকিং স্টুডিও কলাকেন্দ্রের আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘ছাপচিত্র সম্মাননা প্রদর্শনী ২০২১’ শীর্ষক প্রদর্শনী।
এ বছর ‘কিবরিয়া আজীবন সম্মাননা ২০২১’ পেয়েছেন শিল্পী রতন মজুমদার। বিভিন্ন সময় এ সম্মাননাপ্রাপ্ত বাকি শিল্পীরা হলেন (২০১৪-২০২১)—শিল্পী রফিকুন নবী, মনিরুল ইসলাম, মাহমুদুল হক, সৈয়দ আবুল বারক্ আলভী, কালিদাস কর্মকার, সহিদ কবির, আলমগীর হক ও রতন মজুমদার। প্রদর্শনীতে তাদের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বরেণ্য শিল্পী রফিকুন নবী, বিশেষ অতিথি ছিলেন তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা তানিম উদ দৌল্লা। প্রদর্শনীটি ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তথ্যসূত্র : news24timebd.com
ক্যানভাস
নানা মাধ্যমে কাজ করতে থাকেন সেখানে বসেই। সেই ১৯৭৮ সালে ফেনীতে বসে ‘উডকাট’ এর কাজ শুরু করেন। যেটা তখন ঢাকায়ই ছিল কল্পনার বাইরে। চা এর পেডি থেকে কাঠ আর নিজের তৈরি যন্ত্রপাতি দিয়েই তিনি সফল হয়েছেন। তাঁর গড়া উডকাট দিয়ে অংশগ্রহন করেছেন জাতীয় চিত্রপ্রদর্শনী গুলিতে।
কর্মজীবন
এক রঙে করা তাঁর উডকাট দিয়ে ১৯৭৮ সালে পান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে জাতীয় চিত্রকলা পুরস্কার। ফ্রিল্যান্স শিল্পী বলতে যেটা বুঝায় সেটা রতন মজুমদান। সারা জীবন কোন চাকরি বা শিক্ষকতা না করে শিল্পকলা চর্চায় মগ্ন ছিলেন, আছেন। করেননি কমিশন ওয়ার্ক।
কাজ
আজ পর্যন্ত টিকে আছেন শিল্পকলা চর্চার মাধ্যমেই। শিল্পী রতন মজুমদারের সঙ্গে দেখা করি ২০০৬ সালে তাঁর ওয়ারী বাসায়। তখন তিনি ক্যানভাসে জ্যামিতিক ফর্মের কাজগুলো করছেন। কথা হয় তাঁর পুরস্কার পাওয়া উডকাট ‘নগ্নতার স্বাদ’ ছবিটি নিয়ে।
তিনি সেই বছর পুরস্কার পাওয়াতে হাঙ্গমাও হয়েছিল জানালেন সেই তথ্য। তাঁকে একটু ড্রইং করে দিতে বললে, আমার হাতে তুলে দেন ‘শিল্পীর স্টুডিও’ শিরোনামে একটি প্রিন্ট। তিনি বর্তমানে ঢাকার উত্তরায় বসবাস করছেন।

acebook থেকে নেয়া :
মন্তব্য করেন |
Abdullah Al Bashir শিল্পী রতন মজুমদার আমাদের ফ্রীলান্স আটিসদের জন্য উৎসাহ ও প্রেরণার…. প্রতিচ্ছবিl তাঁকে দেখলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায়lপ্রকৃত শিল্পী বলতে যেটা বোঝায় এই মানুষটার মধ্যে সকল গুনাগুন বিদ্যমানl তাঁৱ কাজে ফুটে উঠেছে” প্রকৃত প্রকৃতি ভালোবাসাৱ স্নিগ্ধ ছোঁয়া”lতাঁৱ মধ্যে আমি দুইটি সত্তার অস্তিত্ব দেখেছি ,একটি মানুষসত্তা আরেকটি শিল্পীসত্তা..
Nasreen Begum খুব ভাল লাগলো আসাদ, একজন প্রকৃতি মেধাবী শিল্পী রতন’কে গভীর অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে এলে ।রতন মজুমদার হঠাৎ খুব নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিল, কেন জানা নেই। তার সাথে কথা বলতাম, কিন্তু কেন যেন দূরত্ব বজায় রাখতো। সম্পুর্ণ ভিন্ন এক জগতে বাস করতো। একান্তই নিজের মত করে কাজ করতো। আমার খুবই খারাপ লাগতো। কেননা রতনের কাজের ভক্ত ছিলাম, তার শিল্পী-সত্বাকে জানার আগ্রহ ছিল খুব। তারপর কোথায় হারিয়ে গেল, যেমন হারায় সকল ভিন্নধর্মী মেধাবীরা…!!!
Sushanta Adhikary উনি শান্তিনিকেতনে কলাভবনে কিছুদিন পড়েছিলেন বলে শুনেছি। তথ্যটা উদঘাটন প্রয়োজন।
Dilip Kar শ্রদ্ধাস্পদেষু ব্যতিক্রমী ও মেধাবী শিল্পী রতন মজুমদার ।
Mahmuda Begum রতন মজুমদার আমাদেরই বন্ধু…..আমাদেরই অনেক কাছের এক সময় ছিলো… হা সে সিরামিক শিল্পেই পড়াশুনা করেছিলো, তারপর তার ইচ্ছা ছিল ড্রইং পেইন্টিং পড়ার…. আমি যতটুকু শুনেছি ওকে চান্স দেয়া হয়নি…. তখনি সে নিজকে গুটিয়ে নিয়েছিলো।রতন ১৯৮১ আমাদের বাসায় দীর্ঘ ৮ মাস থেকেছে এবং সেই প্রচুর উডকাট এর কাজ করেছে। ঐ সময় ওর ভাই এবং ওর অন্য আত্মীয়রাও মাঝে মাঝে আসতো।আমাদেরকে সেই সময় বাসা ছাড়তে হয়েছিলো বলে রতনও অন্য আরেক জায়গায় চলে গেলো…..তারপর থেকে যোগাযোগ একটু কম ছিলো। তবে সে সম্ভব হলেই আমাদের খোজ নিতো।কিছুদিন আগেও আমাকে ফোন করেছিলো।ওর একটা খুব ভাল উডকাট প্রিন্ট আমাকে গিফট করেছিলো।আমি যত্ন করে রেখে দিয়েছি….সম্ভবত ঐ কাজটারতেই রতন এওয়ার্ড পেয়েছিলো…..ভালো থাক বন্ধু
























