নানা জায়গায় শিল্পকলার শিক্ষকতা করলেও রনজিৎ দাসের ক্যানভাসে দীর্ঘ একটা ধারবাহিকতা রয়েছে। তাঁর বিষয় প্রকৃতি, মানুষ আর জ্যামিতিক ফর্ম। রঙের বেলায় কোনই সীমাবদ্ধতা নেই। হালকা অথবা গাঢ় রঙের ওপর টেক্সার, তাঁর কাজে ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে।
শিল্পী রনজিৎ দাস ১৯৫৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইলে জন্ম গ্রহন করেন । তিনি ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব আর্ট এন্ড ক্র্যাফটস (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক । ভারতের বরোদায়, এম এস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ক্রিয়েটিভ পেইন্টিং’ বিষয়ে মাস্টার্স করেন ১৯৮১ সালে।
শিল্পী রনজিৎ দাস
কর্মজীবন
১৯৮১ সালে চট্রগ্রাম আর্ট কলেজে শিক্ষকতার মধ্যে দিয়ে তাঁর কর্মজীবনের শুরু। সেখানে শিক্ষকতা করেছেন ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত। সেই বছরই শিক্ষক হিসেবে যোগদেন কুমিল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে। ১৯৯০ সালে চলে আসেন ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। ২০১১ সালে শিক্ষকতা থেকে অবসর গ্রহন করেন এখন স্বাধীন শিল্পী।
ক্যানভাস
নানা জায়গায় শিল্পকলার শিক্ষকতা করলেও; রনজিৎ দাসের ক্যানভাসে দীর্ঘ একটা ধারবাহিকতা রয়েছে। তাঁর বিষয় প্রকৃতি, মানুষ আর জ্যামিতিক ফর্ম। রঙের বেলায় কোনই সীমাবদ্ধতা নেই। হালকা অথবা গাঢ় রঙের ওপর টেক্সার, তাঁর কাজে ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। তাঁর ক্যানভাসে দেখা যায় মাত্রাতিরিক্ত রেখার চলাচল। সেসব রেখা তাঁর ফ্রেম নানা ভাবে বিভক্ত করলেও থাকে দৃষ্টি নন্দন। সব মিলিয়ে তাঁর ক্যানভাসে নিজস্ব শিল্পরীতি খুঁজে পাওয়া যায় ।
ফটো জার্নালিস্ট মোহাম্মদ আসাদ এর ডায়েরি থেকে
তাঁর ছবি দেখে অনুমান করা যায় এটা শিল্পকলা একাডেমির গোল গ্যালারির সামনে তোলা। অনেক শিল্পীর ড্রইং এক দিনে সংগ্রহ করেছিলাম। কিন্তু সেটাতো ১৯৯৮ সালের ঘটনা। ড্রইংটিতে তারিখ রয়েছে ১৯৯৫ সাল। হয়তো দ্রুত লিখতে গিয়ে ৯৫ হয়ে গিয়েছে। একটা কথা না বললেই নয়; রনজিৎ দাস এবং তাঁদের গ্রুপ মিলে বিগত শতাব্দির শেষের দিকে অনেক আর্ট কর্মশালার আয়োজন করেছেন। সেসব কর্মশালায় গিয়ে দেখেছি, ছবি তুলেছি।