মাহমুদা বেগম অসাধারণ কাজ করেছেন আমাদের জামদানি নকশা নিয়ে। তিনি ২০০০ সালে বিভিন্ন ধরনের জামদানি নকশা নিয়ে একটি প্রদর্শনী করেন। সেই কাজ সুধী সমাজে প্রসংশিত হয়েছিল।
শিল্পী মাহমুদা বেগম -এর জন্ম ১৯৫৮ সালের ২১ মার্চ, চট্রগ্রাম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউট ( বর্তমান চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক ১৯৭৯ সালে এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন ১৯৮৩ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা ইনস্টিটিউটে তাঁরা ছিলেন দ্বিতীয় ব্যাচ।
শিল্পী মাহমুদা বেগম
কর্মজীবন
দ্বিতীয় ব্যাচ হলেও এটাই ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাচ। মাস্টার্সের রেজাল্ট বের হওয়ার আগেই ১৯৮২ সালে তিনি যোগ দেন বিসিক-এর নকশা কেন্দ্রে। দীর্ঘদিন সেখানে চাকরি শেষে ২০০৫ সালে চাকরি ছেড়ে চলে যান আমেরিকায়। ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড মার্চেন্ডাইজিং-এ গ্রাজুয়েশন করেছেন, ক্যাথারিন গীবস্ স্কুল, নিউ ইয়র্ক, আমেরিকা থেকে ২০০৭ সালে।
ক্যানভাস
দেশে ফিরে এসে ‘ফ্যাশন ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি’র শিক্ষকতা করেছেন বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি। মাহমুদা বেগম অসাধারণ কাজ করেছেন আমাদের জামদানি নকশা নিয়ে। তিনি ২০০০ সালে বিভিন্ন ধরনের জামদানি নকশা নিয়ে একটি প্রদর্শনী করেন। সেই কাজ সুধী সমাজে প্রসংশিত হয়েছিল।
মাহমুদা বেগমের সঙ্গে দেখা করি ১৯৯৮ সালে পুরানাপল্টনস্থ তার বাসায়। তখন তিনি নকশা কেন্দ্রে চাকরি করেন। অনেক কাজ করছেন জামদানি নকশা নিয়ে। সে দিন আমাদের জামদানি নিয়ে গল্প হয়েছে অনেক। আমি চেয়েছিলাম তাঁর করা একটি জামদানি নকশা। তিনি আমাকে এনে দিলে ১৯৮০ সালে ছাত্রবস্থায় করা একটি প্রিন্ট। ‘জাল’ শিরোনামে এই কাজটিতে আছে মুন্সিয়ানা। মাহমুদা বেগম ছাত্রজীবন থেকেই নানা রকম নিরীক্ষা ধর্মী কাজ করেছেন। তারপর তিনি যে কাজই করেছেন মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।
শিল্পী মাহমুদা বেগম এর ফেইজবুক প্রফাইল থেকে নেয়া মন্তব্য :
আমি বর্তমানে মুন্সিগঞ্জেরই…. আমার বড় হওয়া আমার স্বপ্ন… আমার সকল দুরন্তপনা সবকিছু মুন্সিগঞ্জেকে ঘিরেই…. বিশেষ করে ছোটবেলার মুক্তি যুদ্ধে সময়কাল… কতো….. সৃতি….. একসময় সব প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে, আমি অনেক কিছু লিখেও রেখেছি…. অনেক অনেক ধন্যবাদ সোহেল তুমি জানতে চেয়েছো…. আজকাল মানুষ শুধু নিজকেই প্রকাশ করতে ব্যস্ত অন্যেরটা শুনতেও চায় না, জানতেও চায় না…. এবং অনেক অনেক ধন্যবাদ Mohammad Asad কে উনি একটি মহান উদ্যোগ নিয়েছেন যে ক্রমান্বয়ে সকল আর্টিস্ট দের সংক্ষিপ্ত পরিচয় আপনাদের সকলের সামনে তুলে ধরছেন